সন্ধায় টিউশনি শেষ করে বন্ধুদের সাথে আড্ডা দিতে দিতে দিতে কখন যে রাত ৯টা বেজে গেছে সে দিকে খেয়াল নেই। এমন সময় আব্বুর ফোন। এই রে আজকে কপালে খারাপি আছে। ৮টার মধ্যে বাসায় যাওয়ার জন্য আব্বুর কড়া নির্দেশ। আর আজকে ৯টা বেজে গেছে। আব্বু ফোন করছে শুনেই সবাই চুপ,শুধু আমিই না ফ্রেড রা ও সবাই আমার আব্বুকে যমের মত ভয় পায়।
ফোন রিসিভ করতেই.....
-- কয়টা বাজে সেদিকে কোন খেয়াল আছে।
-- আসলে আব্বু.......( কথা শেষ না হতেই)
-- ৫ মিনিটের মধ্যে যেন বাসায় দেখি।
-- আসলে আব্বু.......( কথা শেষ না হতেই)
-- ৫ মিনিটের মধ্যে যেন বাসায় দেখি।
এ বলে ফোন রেখে দিল।এখান থেকে বাড়ি বেশী দুরের পথ না। হেটে গেলে মিনিট ১০ এর মত লাগে। এখন হাতে সময় যেহেতু কম দৌড়ানো ছাড়া উপায় দেখছি না। এখন যেতে যেতে আমার পরিচয় টা দেয়া যাক....
আমি সাব্বির। অর্নাস ৩য় বর্ষে পড়ছি,সরকারি একটা কলেজে। এর ফাকে ১টা টিউশনি করায়।বেকার বলে কথা। তাই এই টিউশনি টাই আমার আর্থিক সম্বল। আর বলার মত কিছু নাই। বাসায় পৌছে গেছি......
একবার নক করতেই আম্মু দরজা খুলে দিল
একবার নক করতেই আম্মু দরজা খুলে দিল
-- তোর সময় জ্ঞান কবে হবে বলতো....
-- তার আগে বলো আব্বু এত রেগে আছে কেন।
-- তুই নিজে গিয়েই দেখ।
-- হাহ.. আমার কি আর সেই সাহস আছে। তুমি তো জানোই আব্বুর সামনে গেলে এখনো আমার হাটু কাপে।
-- আচ্ছা ফ্রেশ হয়ে আয়।টেবিলে খাবার দেয়া আছে।
-- তার আগে বলো আব্বু এত রেগে আছে কেন।
-- তুই নিজে গিয়েই দেখ।
-- হাহ.. আমার কি আর সেই সাহস আছে। তুমি তো জানোই আব্বুর সামনে গেলে এখনো আমার হাটু কাপে।
-- আচ্ছা ফ্রেশ হয়ে আয়।টেবিলে খাবার দেয়া আছে।
খাবার টেবিলে গিয়ে বসতেই আব্বু বলল.....
-- কাল সকালের ট্রেনে আমি, তোর মা, আর মেঘা খুলনা যাচ্ছি.....
-- কেন??
-- কথা আগে শেষ করতে দে। তোর ছোট খালার মেয়ের বিয়ে। কেন তোর মনে নেই। আর দুদিন আগেই আমাদের সবাই কে যেতে বলেছে।
-- ওহ...
-- দোকানের কিছু কাজ বাকি আছে। তুই সে গুলো সেরে আগামী কাল চলে আসিস।মনে থাকে যেন।
-- আচ্ছা ঠিক আছে।
-- কেন??
-- কথা আগে শেষ করতে দে। তোর ছোট খালার মেয়ের বিয়ে। কেন তোর মনে নেই। আর দুদিন আগেই আমাদের সবাই কে যেতে বলেছে।
-- ওহ...
-- দোকানের কিছু কাজ বাকি আছে। তুই সে গুলো সেরে আগামী কাল চলে আসিস।মনে থাকে যেন।
-- আচ্ছা ঠিক আছে।
ছোট খালার মেয়ে সুপ্তির বিয়ে। একদম মনে ছিল না। আর মনে থাকার কথা ও না। কারন এইসব বিয়ে বাড়ি আমার একদম ভাল লাগে না।
বলতে গেলে আমি সব সময় চেষ্টা করি বিয়ে বাড়ি ইগনোর করার। কিন্তু এইবার যেতেই হবে।
কারন আব্বুর মুখের উপর না বলার সহজ না। তাই অনিচ্ছা থাকা সত্ত্বেও যেতে হবে।
বলতে গেলে আমি সব সময় চেষ্টা করি বিয়ে বাড়ি ইগনোর করার। কিন্তু এইবার যেতেই হবে।
কারন আব্বুর মুখের উপর না বলার সহজ না। তাই অনিচ্ছা থাকা সত্ত্বেও যেতে হবে।
সকালে সবাই কে ব্যাগ পত্র সহ ট্রেনে উঠিয়ে দিয়ে সোজা দোকান এ গেলাম। দোকানের হিসাব পত্র কিছুই বুঝি না। তার পর ও যে কেন আমার ঘাড়ে চাপিয়ে দিল বুঝলাম না।
যাই হোক দুপুর নাগাদ সব কাজ শেষ করে বাসায় ফিরলাম। ফ্রেশ হয়ে ভাবলাম ঘুমিয়ে নেই একটু।সন্ধায় আবার টিউশনি আছে। আর আন্টি কে ও বলে আস্তে হবে যে,কয়েকদিন পড়াতে আসতে পারবো না।
যাই হোক দুপুর নাগাদ সব কাজ শেষ করে বাসায় ফিরলাম। ফ্রেশ হয়ে ভাবলাম ঘুমিয়ে নেই একটু।সন্ধায় আবার টিউশনি আছে। আর আন্টি কে ও বলে আস্তে হবে যে,কয়েকদিন পড়াতে আসতে পারবো না।
ঘুম থেকে উঠে দেখি অনেক দেরী হয়ে গেছে। আজকে আর পড়ানো হবে না।ফোন হাতে নিয়ে দেখি এর মধ্যে আন্টি কয়েকবার ফোন দিছে।ফোন সাইলেন্ট ছিল বুঝতে পারিনি। তাই আমিই ফোন দিলাম....
-- আসসালামুয়ালাইকু ম আন্টি।
-- ওয়ালাইকুম সালাম।
-- আন্টি আমি কয়েক দিন পড়াতে আসতে পারবো না।
-- কেন বাবা কোন সমস্যা।
-- না আন্টি তেমন কিছুনা। খালাতো বোনের বিয়ে তাই আরকি......
-- আচ্ছা ঠিক আছে।
-- ওয়ালাইকুম সালাম।
-- আন্টি আমি কয়েক দিন পড়াতে আসতে পারবো না।
-- কেন বাবা কোন সমস্যা।
-- না আন্টি তেমন কিছুনা। খালাতো বোনের বিয়ে তাই আরকি......
-- আচ্ছা ঠিক আছে।
আন্টির সাথে কথা শেষ করে গেলাম মোড়ের ওপর হেলাল চাচার চায়ের দোকান এ। এখানে সবাই বসে আডডা দেই।
যেতেই দেখি সব কটা হারামি আগে থেকেই বসে আছে। এদের মত বন্ধু থাকলে আর শত্রুর দরকার হয় না। সুযোগ পেলেই বাশ দেয়াই এদের কাজ।
বসতেই নয়ন বলল.....
যেতেই দেখি সব কটা হারামি আগে থেকেই বসে আছে। এদের মত বন্ধু থাকলে আর শত্রুর দরকার হয় না। সুযোগ পেলেই বাশ দেয়াই এদের কাজ।
বসতেই নয়ন বলল.....
-- কিরে আজকে এই সময়। টিউশনি তে যাস নি।
-- নাহ কয়েক দিন যেতে পারবো না। খুলনা যাচ্ছি। বোনের বিয়ে।
-- কবে যাচ্ছিস???
-- কাল সকালে।
-- ওহ......
-- নাহ কয়েক দিন যেতে পারবো না। খুলনা যাচ্ছি। বোনের বিয়ে।
-- কবে যাচ্ছিস???
-- কাল সকালে।
-- ওহ......
বাসায় কেউ নাই দেখে অনেক রাত অবধি আড্ডা দিয়ে বাসায় ফিরলাম।আর ব্যাগ পত্র গুছিয়ে নিলাম। নাহলে সকালে দেরি হয়ে যেতে পারে.....
সকালে ঘুম থেকে উঠে রওনা দিলাম। স্টেশনে নামলাম তখন প্রায় দুপুর হতে চলছে..... কাক ডাকা রোদ এর প্রকোপ। একটা রিকশা নিলাম স্টেশন থেকে বের হয়ে।অনেক বছর থেকে আসা নেই। বাসার রাস্তা ও ঠিক ভাল মতো মনে নাই।তাই এর কি করা অনুমান আর রিকশা ওয়ালার সুবাদে পৌছালাম অবশেষে।
গেটের সামনে থেকে ভেতর টা পুরো বাড়ি বাতি দিয়ে সাজানো হয়ছে। ভেতরে ঢুকতে দেখি আবির এদিক সেদিক ছোটা ছুটি করছে। ছোট বোনের বিয়ে বলে কথা। আমাকে দেখে এগিয়ে এলো......
-- এই তোর আসার সময় হলো। দুদিন আগে আসলে কি হতো। আসলি একেবারে গায়ে হলুদের দিন।
-- তুই তো জানিস বিয়ে বাড়ি ভাল লাগে না আমার। আর তোর খালুকে তো ভাল করেই জানিস। সব কাজ শেষ করে তবে আসলাম।
-- আচ্ছা ভেতর এ যা। আমার ঘর তোর জন্য ফাকা করা আছে।
-- খালা খালু কে দেখছি না। কোথায় সব??
-- দেখ ভেতরে আছে কোথাও।
-- তুই তো জানিস বিয়ে বাড়ি ভাল লাগে না আমার। আর তোর খালুকে তো ভাল করেই জানিস। সব কাজ শেষ করে তবে আসলাম।
-- আচ্ছা ভেতর এ যা। আমার ঘর তোর জন্য ফাকা করা আছে।
-- খালা খালু কে দেখছি না। কোথায় সব??
-- দেখ ভেতরে আছে কোথাও।
ভেতরে যেতেই খালার সাথে দেখা.........
-- আসসালামুয়ালাইকু ম খালা। কেমন আছেন??
-- ওয়ালাইকুম সালাম। ভাল আছি। আর কখন আসলি তুই।
-- এইতো একটু আগে।
-- আচ্ছা আবিরের রুমে যা ফ্রেশ হয়ে নে।
-- আচ্ছা। তা খালা বিয়ের কনে কে দেখছি না। কোথায় ও??
-- দেখ গিয়ে ওর ঘরে আছে হয়তো।
-- ওয়ালাইকুম সালাম। ভাল আছি। আর কখন আসলি তুই।
-- এইতো একটু আগে।
-- আচ্ছা আবিরের রুমে যা ফ্রেশ হয়ে নে।
-- আচ্ছা। তা খালা বিয়ের কনে কে দেখছি না। কোথায় ও??
-- দেখ গিয়ে ওর ঘরে আছে হয়তো।
সুপ্তির ঘরে যেতেই দেখি, এক গাদা মেয়ে ভীড় করে বসে আছে।এই মেয়ে গুলার ও কোন কাজ কাম নাই। যত্তসব.........
-- ভেতরে আসতে পারি??
আমার কথা শুনে সুপ্তি বলল....
-- আরে ভাইয়া তুমি, কখন এলে??
-- এইতো একটু আগে।
-- আর তোমার আজকে আসার সময় হলো..
-- সে কথা বাদ দে শুনলাম তোর বর নাকি কালো, মোটা আর টাকলা.
-- ভাইয়া ভাল হচ্ছে না কিন্তু। ও তোমার চাইতে ভাল।
-- আচ্ছা দেখা যাবে....... থাক ফ্রেশ হয়ে আসছি....
-- এইতো একটু আগে।
-- আর তোমার আজকে আসার সময় হলো..
-- সে কথা বাদ দে শুনলাম তোর বর নাকি কালো, মোটা আর টাকলা.
-- ভাইয়া ভাল হচ্ছে না কিন্তু। ও তোমার চাইতে ভাল।
-- আচ্ছা দেখা যাবে....... থাক ফ্রেশ হয়ে আসছি....
রুমে গিয়ে ফ্রেশ হয়ে হাল্কা খাওয়া দাওয়া সেরে দিলাম ঘুম। অনেক ক্লান্ত লাগছিল।
ঘুম ভাংলো আবিরের ডাকে.....
-- এই ওঠ। কয়টা বাজে দেখছিস।
মোবাইল হাতে নিতেই দেখি সন্ধ্যা হতে চলল।
-- উঠ তাড়াতাড়ি. ওদের আসার সময় হয়ে গেছে।
-- আচ্ছা যা আমি ফ্রেশ হয়ে আসছি।
মোবাইল হাতে নিতেই দেখি সন্ধ্যা হতে চলল।
-- উঠ তাড়াতাড়ি. ওদের আসার সময় হয়ে গেছে।
-- আচ্ছা যা আমি ফ্রেশ হয়ে আসছি।
ওরা কিছু সময় পর আসলো হলুদ পরাতে। মঞ্চ টা খুব সুন্দর করব সাজানো হয়েছে। পেছনে দেখলাম লিখা আছে "" সুপ্তির হলুদ সন্ধ্যা। অনেক ভীড় দেখে পাশ কাটিয়ে ফাকা যাইগা খুজছিলাম।
হঠাৎ করেই চোখ পড়লো সুপ্তির পাশে বসা মেয়েটা দিকে। তাই আবার পিছনে ফিরলাম। দেখি এক হলুদ অপ্সরা ওর পাশে বসে আছে।
হলুদ শাড়ি তে ওর চেহারা যেন কাচা হলুদের মত লাগছিল।
চোখে হাল্কা কাজল, খুব সুন্দর করে চুলে বেনী করা। আর নাকের ওপর একটা ছোট তিল। এতে করে ওর সৌন্দর্য কয়েক গুন বাড়িয়ে দিয়েছে। দেখে মনে হচ্ছে ফেইক তিল।পরখ করে দেখতে হবে এক সময়।
ওর দিকে হা করে তাকিয়ে ছিলাম। আর আজগুবি সব ভাবনা ভাবছিলাম। এমন সময় সুপ্তি ডাক দিল
হঠাৎ করেই চোখ পড়লো সুপ্তির পাশে বসা মেয়েটা দিকে। তাই আবার পিছনে ফিরলাম। দেখি এক হলুদ অপ্সরা ওর পাশে বসে আছে।
হলুদ শাড়ি তে ওর চেহারা যেন কাচা হলুদের মত লাগছিল।
চোখে হাল্কা কাজল, খুব সুন্দর করে চুলে বেনী করা। আর নাকের ওপর একটা ছোট তিল। এতে করে ওর সৌন্দর্য কয়েক গুন বাড়িয়ে দিয়েছে। দেখে মনে হচ্ছে ফেইক তিল।পরখ করে দেখতে হবে এক সময়।
ওর দিকে হা করে তাকিয়ে ছিলাম। আর আজগুবি সব ভাবনা ভাবছিলাম। এমন সময় সুপ্তি ডাক দিল
ভাইয়া........
-- হা আসছি।
-- সবাই তো হলুদ পরালো। তুমি পরাবে না।
-- আমাকেও পরাতে হবে।
-- হুম।
-- সবাই তো হলুদ পরালো। তুমি পরাবে না।
-- আমাকেও পরাতে হবে।
-- হুম।
এ বলে ওকে হলুদ মাখাচ্ছিলাম আর ওর পাশে বসা মেয়েটার দিকে তাকাচ্ছিলাম। আমি যে ওকে আড় চোখে দেখছি তা মনে হয় কিছুটা আচ করতে পেরেছে।
হঠাৎ চোখে চোখ পড়তেই কিছুটা লজ্জা পেলাম। নিজেকে নিজেই বলতে লাগলাম এসব কি করছি আমি।
সুপ্তি চুল টান দিতেই ওর দিক থেকে চোখ ফিরালাম। দেখি সুপ্তি হাত বাড়িয়ে আছে আমার দিকে।
--- হাতে ও মাখাবো নাকি
-- ভাইয়া.........আ মার গিফট???
-- কিসের গিফট???
-- কেন গায়ে হলুদের।
-- এই রে জানতাম না তো যে গিফট দিতে হয়। আমি তো কিছু আনি নি.।
আর এই জন্যই এত আহ্লাদ করে হলুদ মাখাতে ডাকছিলি আমাকে এইবার বুঝতে পারছি।
হঠাৎ চোখে চোখ পড়তেই কিছুটা লজ্জা পেলাম। নিজেকে নিজেই বলতে লাগলাম এসব কি করছি আমি।
সুপ্তি চুল টান দিতেই ওর দিক থেকে চোখ ফিরালাম। দেখি সুপ্তি হাত বাড়িয়ে আছে আমার দিকে।
--- হাতে ও মাখাবো নাকি
-- ভাইয়া.........আ
-- কিসের গিফট???
-- কেন গায়ে হলুদের।
-- এই রে জানতাম না তো যে গিফট দিতে হয়। আমি তো কিছু আনি নি.।
আর এই জন্যই এত আহ্লাদ করে হলুদ মাখাতে ডাকছিলি আমাকে এইবার বুঝতে পারছি।
আমার কথা শুনে পাশে বসা মেয়েটা মিটমিট করে হাসছিল।
-- তা তো শুনবো না দিতেই হবে।
-- আচ্ছা ঠিক আছে। দিতে পারি তবে আমার একটা কাজ করে দিতে হবে।
-- কি কাজ।
-- এগিয়ে আয় এ বলে ওকে কানে কানে বললাম.....
-- তোর পাশে বসা মেয়েটা কে রে।??
-- আমার ফ্রেন্ড কেন??
-- মায়ায় পরে গেছি। একটু কথা বলার ব্যবস্থা করে দেনা প্লিজ??
-- নাহ আমি পারবো না। তুমি নিজে বলে দেখ।
-- যাহ তাহলে তোর গিফট নাই।
-- আচ্ছা ঠিক আছে। তুমি বাড়ির পেছনে পুকুর পাড়ে গিয়ে বসো। আমি দেখছি।
-- থ্যাংকস।এই না হলে আমার বোন।
-- আচ্ছা ঠিক আছে। দিতে পারি তবে আমার একটা কাজ করে দিতে হবে।
-- কি কাজ।
-- এগিয়ে আয় এ বলে ওকে কানে কানে বললাম.....
-- তোর পাশে বসা মেয়েটা কে রে।??
-- আমার ফ্রেন্ড কেন??
-- মায়ায় পরে গেছি। একটু কথা বলার ব্যবস্থা করে দেনা প্লিজ??
-- নাহ আমি পারবো না। তুমি নিজে বলে দেখ।
-- যাহ তাহলে তোর গিফট নাই।
-- আচ্ছা ঠিক আছে। তুমি বাড়ির পেছনে পুকুর পাড়ে গিয়ে বসো। আমি দেখছি।
-- থ্যাংকস।এই না হলে আমার বোন।
এ বলে পুকুর পাড়ের শান বাধানো ঘাটে বসে অপেক্ষা করতে লাগলাম। এমন সময় পেছনে থেকে মেয়েলি কন্ঠের কেউ বলল...
-- হ্যালো, এক্সকিউজ মি??
পেছনে ফিরতেই দেখি........... ...
-- হ্যালো, এক্সকিউজ মি??
পেছনে ফিরতেই দেখি...........
to be continue.......
#stay_home
#stay_safe
(যদি আপনাদের ভালো মত সাড়া পায় তবেই পরবর্তী পর্ব পোস্ট করা হবে)

0 Comments